
তজুমদ্দিন, প্রতিনিধি।।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় পুকুরের ঘাট ব্যবহারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আপন চাচা-চাচিসহ অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১ মে) সকালে উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের চর কোড়ালমাড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গন্ডাগো বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পুকুরের ঘাট ব্যবহার নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার সকালে রিজিয়া বেগম তার ব্যবহৃত ঘাট মেরামত করতে গেলে মো. খোকন এতে বাধা দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে খোকন ও তার ছেলে সজিব লাঠিসোঁটা ও এসএস পাইপ নিয়ে রিজিয়া বেগমের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে।
রিজিয়া বেগমের চিৎকারে তার স্বজনরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। এতে উলফতেন্নেছাসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এছাড়া আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তিকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় আহত ৪ জনকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, হামলার সময় রিজিয়া বেগমের গলা থেকে ১ ভরি স্বর্ণের চেইন ও কান থেকে ৮ আনা ওজনের কানপাশা ছিনিয়ে নেওয়া হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া উলফতেন্নেছা ও বিবি কাউসারের স্বর্ণালংকারও ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় তজুমদ্দিন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিরা হলেন—মো. খোকন (৪০), তার ছেলে মো. সজিব (১৯), তোতা মিয়া (৪২) ও মেহেদী হাসান (২০)।
অভিযুক্ত মো. খোকনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া
