ভোলা প্রতিনিধি।।
চাঁদাবাজিতে বাঁধা দেয়ায় ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ এর সদস্যের উপর মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টায় ভোলা প্রেসক্লাবের হল রুমে এ সম্মলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তর শাখার শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম পাঠওয়ারী।
এ সময় তারা বলেন, মোঃ সিরাজুল ইসলাম একজন অটোরিকশা চালক। সে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের সহযোগি সংগঠন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের একজন কর্মী। ৫ আগস্টের পর ভোলা ভেদুরিয়া লঞ্চ ঘাটে একটি মহল চাঁদাবাজি করে আসছে। চালকরা তাদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ। এ কারনে ইতিপূর্বে কয়েক জনকে কোস্ট গার্ডে ধরিয়ে দেয়াসহ মামলার বাদী হওয়ায় সিরাজুল ইসলামকে ঘরের মধ্যে আটকিয়ে মারধর করা হয়।
এর দুইমাস পর পর্দার আড়ালে থাকা চাঁদাবাজদের গডফাদাররা ভোলা সদর ওসিকে চাপ দিয়ে ভেলুমিয়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই কিবরিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ ৮ জুলাই দিবাগত রাতে ঘরের দরজা ভেঙ্গে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই ইসলামি শ্রমিক আন্দোলন ও সাবেক ভোলা জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলামকে শ্রমিক লীগের টেগ লাগিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
তারা বলেন, তার শ্রমিক লীগের আবেদনটি সম্পূর্ণ ভূয়া ও মিথ্যা। আমরা এই ষড়যন্ত্রমুলক গ্রেফতার করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগে থানায় আটকি রাখায় সিরাজুল ইসলাম এর মুক্তির দাবী জানাই।
এবং এই ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত থাকায় ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাত মোঃ হাসনাইন পারভেজএর অপসারন দাবী করছি। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকী দেয় তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা আতাউর রহমান মোমতাজী, বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তর শাখার সেক্রেটারি মাওলানা তরিকুল ইসলাম, ইসলামি আন্দোলন ভোলা সদর থানা সেক্রেটারি মাও: শরিফ বিন রফিক ও ইসলামি ছাত্র আন্দোলন ভোলা উত্তর শাখার সভাপতি মাও: মাহামুদুল হাসান।
এ সব বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাৎ মোঃ হাসনাইন পারভেজ সাংবাদিকদের কে বলেন, সিরাজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে একজন অটোরিকশা চালককে মারধর করে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে রাখার অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও তাকে গ্রেফতারের পিছনে রাজনৈতিক কারন রয়েছে। পূর্বেও তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে।
